News & Event

20
Jul 19

IU team takes part in Chinese Job Fair

VIEW
17
Jul 19

Awareness Building Workshop on Quality Culture at HEI

VIEW
09
Jul 19

An International Seminar on the Contemporary Challenges for International Humanitarian Law

VIEW
26
Jun 19

An international seminar on "Natural Products for Drug Discovery and Development" was held at Islamic University, Kushtia

VIEW
26
Jun 19

A workshop on “Curriculum Design and Review"

VIEW
18
Jun 19

Dr. Tapon Kumar Roy, Bangla department has been awarded ‘Nazrul Srimity Award-2019’

VIEW
18
May 19

ডায়ালগ অব এশিয়ান সিভিলাইজেশন শীর্ষক আন্তর্জাতিক বেইজিং সম্মেলনে ইবি ভাইস চ্যান্সেলর

VIEW
15
May 19

ইবিতে ঈদের ছুটির পুনর্বিন্যাস

VIEW
15
May 19

ইবি ভাইস চ্যান্সেলরের চীনযাত্রা

VIEW
11
May 19

ইবিতে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি সংক্রান্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

VIEW

ইবিতে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উপলক্ষে তিনদিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু

 

পহেলা বৈশাখ উৎসব এর মাধ্যমে বাঙালী সংস্কৃতির অনুশীলন আরো বেগবান হয়
----------------------ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড .হারুন-উর-রশিদ আসকারী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পহেলা বৈশাখ ১৪২৬ উপলক্ষে আয়োজিত শনিবার তিনদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য জমকালো বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহবায়ক পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, সংস্কৃতিক হচ্ছে বেগবান যা চর্চার বিষয়। আর এই চর্চাটি হয় পহেলা বৈশাখের সার্বজনীন উৎসব বর্ষবরনের মধ্যে দিয়ে। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বাঙালী সংস্কৃতির প্রাণের উৎসব যেখানে নেই কোন ভেদাভেদ ও বিভাজন। সকল ধর্ম,বর্ণ, পেশার মানুষ এই দিনে সম্প্রতির বন্ধনে মেতে উঠে। তিনি আরো বলেন, সমাজ ও সভ্যতার বিনাশ সৃষ্ঠিকারী অপ-সংস্কৃতির কারনে যেন আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির চরম ক্ষতি সাধন না হয় সেদিকটিতে আমাদের সকলকেই খেয়াল রাখতে হবে। কোন অপশক্তি ও সাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসীরা যেন মাথা তুলতে না পারে। তাদেরকে আমরা অসাম্প্রদায়িক সাংস্কৃতিক চেতনায় রুখে দেবো। বাংলাদেশের মাটি হবে দুর্জয় ঘাটি। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী আরো বলেন, পহেলা বৈশাখের অন্যতম আকর্ষন হচ্ছে মঙ্গল শোভাযাএা, যা আজ সকল অমঙ্গলকে বিদায় করে দিয়েছে। তাই মঙ্গল শোভাযাএা সমাজের বিশেষ কোন শ্রেনীর বা পেশার মানুষের জন্য নয় বরং তা সার্বজনীন যেখানে সকল ভেদাভেদ ভুলে জাতি, বর্ণ, ধর্ম নির্বিশেষে সমাজের সকল স্তরের মানুষ ¯^র্তস্ফুতভাবে প্রাণের উৎসবে মিলিত হয়। তিনি ক্যাম্পাস হতে সকল ধরনের সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদককে নিয়ন্ত্রন করবার জন্য সব ধরনের সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে বেশি বেশি অংশগ্রহনের জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি আহবান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রোÑভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান বলেন, “ধর্ম যার যার উৎসব সবার” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই কথাটি আজ সার্বজনীন বাঙালীর সব উৎসবের জন্য। পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান সকল ধর্ম, বর্ণ ও পেশার মানুষকে আজ এক সেতুবন্ধনে আবদ্ধ করেছে। তাই এটা বাঙালীয়ানার বন্ধন, প্রেমের বন্ধন, নিজেকে নতুন করে সাজাবার বন্ধন। আমরা বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান শুনে আত্মিক শান্তি পায়। যা অন্য কোন বিজাতীয় ভাষায় সম্ভব নয়।। তিনি বলেন, আমাদের সাংস্কৃতিক বাঙালীয়ানায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আজকে বৈশাখী উৎসব পালনে শহর বা গ্রাম বলে কিছু নেই বরং সকলেই যার যার অবস্থান হতে প্রাণের উৎসবে, প্রাণের মেলায় মিলিত হচ্ছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমাদের জন্য বৈশাখী ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। যাতে করে উৎসবে এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। এজন্য বর্তমান সরকারের সময় পহেলা বৈশাখের শোভাযাত্রাটি জাতিসংঘের ইউনেস্কো কর্তৃক ঘোষিত কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটির অংশ। তিনি বলেন, ইদ, পুজা, বড়দিনসহ প্রতিটি ধর্মীয় উৎসব নিদিষ্ট ধর্মের মধ্যে উদযাপিত হয়। শুধুমাত্র পহেলা বৈশাখের উৎসব সার্বজনীনভাবে পালিত হয় দেশব্যাপী। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর ¯^প্নের অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান। এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা বলেন, বাঙালীরা সব সময় সংস্কৃতির শিকড়ের সন্ধান করে।যেমন আমি ছোটবেলায় নানীর কোলে উঠে তার নতুন শাড়ির ঘ্রাণ পেতাম। যা আজ ও আমি খুজে ফিরি। তিনি বলেন, আমরা অসাম্প্রদায়িক ও গ্রাম বাংলার ধান মাড়াই চেতনায় বিশ্বাসী। তিনি বলেন, আজ বৈশাখী ভাতাসহ বৈশাখ উদযাপন হচ্ছে সারা দেশে যাতে উৎসবে একটি নতুন মাএার সূচনা করেছে। তিনি আরো বলেন, আমরা বাস করি সুন্দরকে ঘিরে। তাই সকল অসুন্দরকে ভেদ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে এই হোক আমাদের পহেলা বৈশাখের অঙ্গীকার। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি উদ্ধৃতি থেকে বলেন সাংস্কৃতিক ¯^াধীনতা ছাড়া রাজনীতিক ও অর্থনীতিক ¯^াধীনতা অর্থহীন। আলোচনা সভায় পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহবায়ক পরিবহন প্রশাসক প্রফেসর ড. মোঃ রেজওয়ানুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে ¯^য়ংসম্পূর্ণ। দেহকে সুস্থ রাখবার জন্য যেমন খাদ্যের প্রয়োজন ঠিক তেমনই মনকে সুস্থ ও বিকশিত করবার জন্য মনের খোরাক প্রয়োজন। আর এই মনের খোরাক জোগায় পহেলা বৈশাখ। বর্তমানে এই অনুষ্ঠানের কলবর আরো বেড়ে চলেছে। বর্তমান প্রশাসনের সময় ক্যাম্পাসে প্রতিদিনই বিভিন্ন্ ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে যা আমাদের মনের খোরাক জোগাচ্ছে। আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাএ-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্মণ, প্রক্টর(ভারঃ) ড. আনিচুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস.এম আব্দুল লতিফ, প্রফেসর ড. মোঃ জাকারিয়া রহমান, প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান, প্রফেসর ড. আহসানুল হক আম্বিয়া, প্রফেসর ড. মাহবুবল আরফিন, প্রফেসর ড. মেহের আলী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) এ.কে.আজাদ লাবলু, কর্মকর্তা সমিতির নেতৃবৃন্দ, ছাত্রলীগ ইবি শাখার নেতাকর্মীবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষক , কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। আলোচনাসভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৈশাখী মেলা উদ্ভোধন অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষক বনানী আফরিন। এর আগে রবিবার সকাল ৯.৩০ মিনিট প্রশাসন ভবনের সামনের চত্বর হতে শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন হল, বিভাগ, অফিস, বিভিন্ন সমিতি, পরিষদ/ফোরাম এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের ¯^-¯^ ব্যানারসহ অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য “মঙ্গল শোভাযাত্রা” অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী সাথে ছিলেন প্রোÑভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহিনুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা ও রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস, এম আব্দুল লতিফসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় সভাপতি, প্রভোস্ট, প্রক্টর, ছাত্র-উপদেষ্টা ও অফিস প্রধানবৃন্দ। মঙ্গল শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মেলা প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানস্থল বাংলা মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানস্থলে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী তিনদিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও বিভাগ এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে তিনদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দুপুর ৩টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। পহেলা বৈশাখে কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান চলাকালে কোন বিভাগ, হল ও সাং¯কৃতিক সংগঠনকে অনুষ্ঠান না করার জন্য অনুরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি