News & Event

20
Jul 19

IU team takes part in Chinese Job Fair

VIEW
17
Jul 19

Awareness Building Workshop on Quality Culture at HEI

VIEW
09
Jul 19

An International Seminar on the Contemporary Challenges for International Humanitarian Law

VIEW
26
Jun 19

An international seminar on "Natural Products for Drug Discovery and Development" was held at Islamic University, Kushtia

VIEW
26
Jun 19

A workshop on “Curriculum Design and Review"

VIEW
18
Jun 19

Dr. Tapon Kumar Roy, Bangla department has been awarded ‘Nazrul Srimity Award-2019’

VIEW
18
May 19

ডায়ালগ অব এশিয়ান সিভিলাইজেশন শীর্ষক আন্তর্জাতিক বেইজিং সম্মেলনে ইবি ভাইস চ্যান্সেলর

VIEW
15
May 19

ইবিতে ঈদের ছুটির পুনর্বিন্যাস

VIEW
15
May 19

ইবি ভাইস চ্যান্সেলরের চীনযাত্রা

VIEW
11
May 19

ইবিতে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি সংক্রান্ত মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

VIEW

ইবিতে “বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতি” শীর্ষক দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনারের সমাপ্তি

ইবিতে “বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতি” শীর্ষক দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনারের সমাপ্তি

পারস্পরিক ধর্মীয় সহিষ্ণুতা এবং আন্তঃধর্ম সম্প্রীতি বিশ্বশান্তি প্রক্রিয়ার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার

-------------------প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী (ড.রাশিদ আসকারী) বলেছেন, দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতি সম্মেলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিকীকরণ প্রক্রিয়ায় একটি নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। এই সম্মেলনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এবং তুর্কী ইস্তাম্বুল ফাউন্ডেশন ফর সায়েন্স এন্ড কালচার এর জন্য যৌথভাবে ইসলামী শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে কাজ করার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বের ১.৮ বিলিয়ন মুসলমানকে অন্তর্ভূক্ত না করলে বিশ্বশান্তি প্রক্রিয়া অর্থবহ হবে না। তিনি বলেন, ইসলামে সাম্প্রদায়িকতার কোন স্থান নেই। ইসলামে কোন জঙ্গীবাদ নেই। পরস্পরের প্রতি এ ধরনের বিদ্বেষ থেকে সরে আসতে আমাদের সকল বিভেদ দুর করতে হবে। ড. রাশিদ আসকারী বলেন, বাংলাদেশে ইসলামকে এগিয়ে নেয়ার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওআইসি সম্মেলনে যোগদান করেছিলেন এবং তখন থেকেই আমরা ওআইসি’র সদস্য পদ লাভ করি। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠার জন্য মাদ্রাসা বোর্ড তৈরী করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মধ্যদিয়ে দেশব্যাপী ইসলাম প্রচারের ব্যবস্থা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিতকায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আরও কার্যকরের পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে বহুমুখী পরিকল্পা গ্রহন করেছেন। তিনি বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে ইতোমধ্যে ‘মানবতার মা’ সম্মানে ভূষিত হয়েছে। ড. রাশিদ আসকারী বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় এক ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে তুরস্কের ইস্তাম্বুল ফাউন্ডেশন ফর সায়েন্স এন্ড কালচার এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ এর যৌথ উদ্যোগে, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে “বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতি : দ্য রিসালা-ই নূর বিষয়ক” দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভাইস চ্যান্সেলর ড. রাশিদ আসকারী এসব কথা বলেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আফম আকবার হোসেনের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহা-পরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল, ইরাকের প্রতিনিধি রিসালায়ে নূর’র অনুবাদক ইহসান কাসিম সালেহী, তুরস্কের উস্কুদার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আলপার্সলান আছিজেন ও ভারতের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. এম ইশারিত আলী মোল্লা। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন তুরস্কের ইস্তাম্বুল ফাউন্ডেশন ফর সায়েন্স এন্ড কালচারের সচিব মোঃ আব্দুল্লাহ-আল মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জর্ডানের প্রতিনিধি ড. মামুন ফারিজ মাহমুদ জ্যাররার, ইরাকের প্রতিনিধি রিসালায়ে নূর’র অনুবাদক ইহসান কাসিম সালেহী, সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রফেসর ড. হারুন প্রিমি, আরব আমিরাতের শারজাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক শাইখ আব্দুস সালাম সাঈদ করীম, তুরস্কের প্রতিনিধি সাঈদ উজ্যাদালী, ও ভারতের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি স্কলার জুবাইর হামিদ।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্ট্যাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন আজহারী ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জাহিদ।

দু’দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ভারত, তুরস্ক, জর্ডান, সৌদিআরব, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশসহ মোট ৮টি দেশের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেছেন। এ সেমিনারের পৃথক পৃথক ৮টি সেসনে ৭১টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। তার মধ্যে ইংরেজি প্রবন্ধ ছিল ৩৮টি এবং আরবি প্রবন্ধ ছিল ৩৩টি। এছাড়াও বিদেশী প্রবন্ধকার ও বিশেষ্ণজ্ঞদের প্রবন্ধ ছিল ১০টি এবং দেশীয় প্রবন্ধকারদের প্রবন্ধ ছিল ৬১টি।

সমাপনী দিনে ক্যাম্পাসের পৃথক পৃথক স্থানে সেমিনার চলাকালে ভাইস চ্যান্সেলর ড. রাশিদ আসকারী সেমিনারে উপস্থিত হন।