News & Event


ইবি’তে সমাজকর্র্ম বিভাগের উদ্যোগে “বিশ্ব সমাজকর্ম দিবস” উপলক্ষে র‌্যালী অনুষ্ঠিত

VIEW
28
Mar 19

ইবি’তে তারুন্যে’র উদ্যোগে আত্মহত্যার প্রবনতা ও প্রতিকার, প্রতিরোধ শীর্ষক সেমিনার

VIEW
17
Mar 19

ইবিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণ

VIEW
17
Mar 19

ইবিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণ

VIEW
17
Mar 19

ইবিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণ

VIEW
17
Mar 19

ইবিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণ

VIEW
17
Mar 19

ইবিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণ

VIEW
17
Mar 19

ইবিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, কেক কাটা ও পুরস্কার বিতরণ

VIEW
04
Mar 19

ইবি’র ৩ কর্মকর্তাকে ভাইস চ্যান্সেলরের অভিনন্দন

VIEW
03
Mar 19

ইবিতে লোক প্রশাসন দিবস উদযাপিত

VIEW

ইবিতে “বাংলা ভাষার বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভা

ইবিতে “বাংলা ভাষার বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভা

আমাদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি শক্তিশালী ছিল বলেই স্বাধীন দেশ পেয়েছি

----------------প্রফেসর ড. আবদুল খালেক

রাজশাহী নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি’র ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আবদুল খালেক বলেছেন, আমাদের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি শক্তিশালী ছিল বলেই আমরা স্বাধীন দেশ পেয়েছি। তিনি বলেন, বাংলা ভাষার ইতিহাস সুদীর্ঘ। দু’শ বছর যখন এদেশ ইংরেজ শাসন করেছে, তখন এদেশ ছিল ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশ। ফরাসিরা যখন শাসন করেছে, তখন ছিল ফরাসি ভাষার বাংলাদেশ। সেনরা যখন শাসন করেছে, তখন ছিল প্রাকৃত ভাষার বাংলাদেশ এবং পালরা যখন শাসন করেছে, তখন ছিল পালি ভাষার বাংলাদেশ। মূলত পালি এবং প্রাকৃত ভাষা থেকেই বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। তিনি বলেন, এখান থেকে আমরা লক্ষ্য করতে পারি, যখন যারাই এদেশ শাসন করুক না কেন তাদের ভাষার সাথে বাংলাদেশটি যুক্ত ছিল। তিনি বলেন, বৃটিশরা যাওয়ার সময় ভারত বর্ষের দু’টি জাতিকে দু’ভাগে বিভক্ত করা ছিল তাদের গভীর ষড়যন্ত্র। সেই ষড়যন্ত্রের ফলেই হিন্দুস্থান এবং পাকিস্তানের সৃষ্টি। তিনি বলেন, পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৭ সালে যখন ঘোষণা করে পাকিস্তানের ভাষা হবে উর্দু। তখন এদেশের ছাত্র সমাজ সোচ্চার হয়ে উঠে। তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করার জন্য ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫২ সালে তারাই বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা করার দাবীতে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর এই ভাষা আন্দোলন ও বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে।

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে, ৩ দিনব্যাপী আলোচনা সভার শেষ দিনে “বাংলা ভাষার বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রফেসর ড. আবদুল খালেক এসব কথা বলেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী’র (ড. রাশিদ আসকারী) সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা।

সভাপতির বক্তৃতায় ভাইস চ্যান্সেলর ড. রাশিদ আসকারী মহান ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ভাষা শহীদ ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে বলেন, বাংলা ভাষা অন্তসলীলা ¯্রােতস্বিনীর মতো বেগবান একটি ভাষা। তিনি বলেন, বাংলা ভাষার শেষ আশ্রয়স্থল হলো বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলেই শুধু এ ভাষাকে রক্ষা এবং লালন করা সম্ভব হবে।


বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, ইউনেস্কো কর্তৃক ২০১৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছে বাংলা ভাষা বিশ্বের সবচেয়ে মিষ্ট ও মধুর ভাষা এবং দ্বিতীয় মিষ্ট ভাষা হিসেবে স্প্যানিশ এবং ডাচ ভাষাকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি বিষয়। আর এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারনেই।

অপর বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনেক জায়গায় হৃদয় দিয়ে হৃদয়কে অনুভব করার কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তিনি তাঁর হৃদয় দিয়ে, তাঁর হৃদয়ের জীবন দিয়ে বাংলা ভাষাকে, মুক্তিযুদ্ধকে, বাঙালির চেতনাকে ভালবাসতে শিখিয়েছেন। এই অনুভুতি এবং উপলদ্ধি আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা।

আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আরমিন খাতুনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নাসিম বানু, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর ড. রুহুল কে এম সালেহ, বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সরওয়ার মূর্শেদ রতন, ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষক ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. আবদুল খালেক এর হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ভাইস চ্যান্সেলর ড. রাশিদ আসকারী।

বিকেলে বাংলা মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী বই মেলা, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।