News & Event

23
Aug 26

ইউজিসি আয়োজিত উপাচার্যদের নীতিনির্ধারণী সংলাপের সমাপনী দিনেও ইবি উপাচার্যের অংশগ্রহণ, বিকেলে যোগ দেবেন শিক্ষামন্ত্রী

VIEW
21
Aug 26

উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ রূপান্তরে ইউজিসি আয়োজিত উপাচার্যদের নীতিনির্ধারণী সংলাপে ইবি উপাচার্যের অংশগ্রহণ

VIEW
21
Aug 26

নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের অভিনন্দন

VIEW
21
Aug 26

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচি

VIEW
21
Aug 26

ইবিতে "Intellectual Property Management and Research Commercialization" শীর্ষক কর্মশালা

VIEW
17
Aug 26

শিক্ষা কার্যক্রম পরিদর্শনে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনে ইবি উপাচার্য

VIEW
17
Aug 26

জাপানি প্রতিনিধি দলের সাথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দ্বিপাক্ষিক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

VIEW
15
Aug 26

প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

VIEW
13
Aug 26

Vice-Chancellor Initiates Talks on 2+2 Programme with Japanese Academic Institutions

VIEW
13
Aug 26

ইবি উপাচার্যের সঙ্গে জাপানি প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

VIEW

ইবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কেন্দ্রীয়ভাবে নবীনদের বরণ

 
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর/ বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ডিমান্ড-ড্রিভেন’ ও ‘আউটকাম বেসড এডুকেশন’ চালু করা — মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা
 
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আন্তর্জাতিক মানের ‘সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষা খাতের ব্যাপক পরিবর্তন ও উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাজেট উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এর ফলে গবেষণা, নতুন অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিশ্বমানের কারিকুলাম প্রণয়ন সহজ হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস স্মরণ করে মাননীয় মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে যে প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ একটি বিশাল বিদ্যাপীঠে রূপ নিয়েছে। একে আন্তর্জাতিক মানের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ সারিতে পৌঁছে দিতে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
 
নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, "মেধার কোনো ভিসা বা সীমানা লাগে না। সময়ের সঠিক ব্যবহার করে নিজেদের তৈরি করতে হবে, যেন তোমরাই আগামী দিনের বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দিতে পারো।" এছাড়া, তিনি ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেইন’-এর ওপর জোর দিয়ে দেশের বাইরে থাকা মেধাবীদের দেশে ফিরে এসে মানবসম্পদ ও জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমানের সভাপতিত্বে সকাল দশটার দিকে ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্যদিয়ে এ প্রোগ্রাম শুরু হয়। প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. মাহ্দী আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মাননীয় মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল (ওরিয়েন্টেশন বক্তা), মাননীয় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ এমতাজ হোসেন, মাননীয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ ইদ্রিস আলী এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ্।
 
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ডিমান্ড-ড্রিভেন’ ও ‘আউটকাম বেসড এডুকেশন’ চালু করা। এর মাধ্যমে শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্পখাতের (ইন্ডাস্ট্রি) মধ্যে এক বাস্তবমুখী সম্পর্কের সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, "আমরা চাই লোকাল ইন্ডাস্ট্রিগুলোর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম গড়ে উঠুক। যেখানে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং কো-অপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্থানীয় সমস্যা সমাধান ও সম্ভাবনায় সরাসরি অবদান রাখবে। এ ক্ষেত্রে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিতে পারে।” সরকারের তৃতীয় ভাষা শেখার নীতির কথা উল্লেখ করে মাননীয় উপদেষ্টা বলেন, "বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি ভাষায় দক্ষতা অর্জন মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ববাজারে কর্মসংস্থানের নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আরবি ভাষা শিক্ষায় সারা দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান। আরবি ভাষার প্রচার ও ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার স্থাপনে ইবি-কে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করতে হবে।”
 
অন্যতম বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, "দেশের প্রত্যেকটা ক্যাম্পাসকে আমরা ডিজিটালি ট্রান্সফর্ম করব।" তিনি জানান, দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে পর্যায়ক্রমে সম্পূর্ণ ডিজিটাল অবকাঠামোর আওতায় আনা হবে, যাতে রাজধানীর বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের শিক্ষার্থীদের মতো প্রায় সমান সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারে। ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন পরিকল্পনার মূল দিকসমূহ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের প্রতিটি স্থানে—হল, হোস্টেল ও শ্রেণিকক্ষে—হাই-স্পিড ইন্টারনেট ও ওয়াই-ফাই সংযোগ নিশ্চিত করা হবে। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে পারস্পরিক কানেক্টিভিটির আওতায় আনা হবে, যার ভিত্তিতে গড়ে তোলা হবে ডিজিটাল ক্লাসরুম ও পরবর্তীতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ক্যাম্পাস। এই রূপান্তরের ফলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকরা নিজ ক্যাম্পাসে বসেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা অনলাইন সংযুক্ত থাকতে পারবেন। মাননীয় চেয়ারম্যান বলেন, দেশে আর কোনো বিশ্ববিদ্যালয়কে "প্রান্তিক বিশ্ববিদ্যালয়" হিসেবে বিবেচনা করা হবে না; প্রতিটি ক্যাম্পাসকে একই মানের সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা হবে। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মাননীয় চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও সরকার সম্মিলিতভাবে কাজ করছে যাতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ পরিবেশে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে দক্ষ ও কম্পিটেন্ট গ্র্যাজুয়েট হিসেবে বের হতে পারে। বিশেষ অতিথি ও ওরিয়েন্টেশন বক্তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাননীয় মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল তরুণ প্রজন্মকে দেশ গঠনের মূল কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "তোমরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। দেশকে একটি সুন্দর, আধুনিক, মানবিক ও কর্মমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তরুণদের বড় স্বপ্ন দেখতে হবে।"
 
অপর বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন তরুণ প্রজন্মকে বাংলাদেশের মূল 'গেম চেঞ্জার' হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষা খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এবং তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন। বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো, ক্যাম্পাসগুলোর ডিজিটালাইজেশন এবং উচ্চশিক্ষায় সমতা নিশ্চিত করাই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য।
 
সভাপতির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, ১৯৭৯ সালের ২২ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও স্মরণ করেন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা পরিকল্পনার আওতায় শিগগিরই জাপানিজ ও চাইনিজ ভাষা কোর্স চালুর ঘোষণা দেন। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসলামী শিক্ষা ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ের লক্ষ্যেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত, এবং নীতি-নৈতিকতা ও মূল্যবোধের দিক থেকে এখানকার শিক্ষার্থীরা অন্য যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে এগিয়ে। একই সঙ্গে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু সংকটের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা বাউন্ডারি ১৯৯০ সাল থেকে সংস্কার হয়নি, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো স্থায়ী স্টেডিয়াম নেই, সংযোগ সড়কগুলোর উন্নয়ন প্রয়োজন এবং কয়েকটি বিভাগে মাত্র এক-দুইজন শিক্ষক দিয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে। এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
 
এছাড়াও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ তোজাম্মেল হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ এমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ ইদ্রিস আলী বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোঃ মনজুরুল হক । সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সম্মানিত ডিন অধ্যাপক ড. বেগম রোকসানা মিলি প্রথম পর্ব এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের সম্মানিত ডিন অধ্যাপক ড. বাবলী সাবিনা আজহার ২য় পর্বে বক্তব্য দেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম-২০২৬ আয়োজনের নিমিত্ত গঠিত দুইটি কমিটির সম্মানিত আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ মিজানূর রহমান এবং অধ্যাপক ড. মোঃ আলীনূর রহমান । উল্লেখ্য, থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন এবং ইসলামিক ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব অনুষদগুলোর নবীনদের নিয়ে সকাল ১০ টার দিকে প্রথম পর্ব এবং ব্যবসায় প্রশাসন, বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়।
 
অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এছাড়াও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ-এর উপরে নির্মিত একটি ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করা হয়। ফুলেল শুভেচ্ছায় অতিথি এবং নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়। অতিথিদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। কুষ্টিয়া লালন একাডেমি এবং ডলি মণ্ডল ও তাঁর দল সেখানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মনজুর রহমান, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ রশিদুজ্জামান, টিএসসিসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ জাকির হোসেন এবং কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের প্রভাষক রুকাইয়া আক্তার।
 
ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম-২০২৬ উপলক্ষে বিশেষ স্মরণিকাও প্রকাশিত হয়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রশাসন ভবনের নীচে শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থীকে গাছের চারা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মাননীয় মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল (ওরিয়েন্টেশন বক্তা), মাননীয় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনূর রহমান, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড . মোঃ তোজাম্মেল হোসেন, মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ এমতাজ হোসেন, মাননীয় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ ইদ্রিস আলী এবং মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ উন্নয়ন ও বাণিজ্য সম্পর্ক অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম শাহ্ সেখানে উপস্থিত থেকে চারা প্রদান করেন।
 
#সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
 
মোঃ রাজিবুল ইসলাম
উপ-পরিচালক
তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ
কুষ্টিয়া-৭০০৩