ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেলেন কৃতী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় অ্যাওয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: ভাইস চ্যান্সেলর
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে কৃতিত্বপূর্ণ একাডেমিক ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ‘ডিনস অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং রেজিস্ট্রার (ইন-চার্জ) প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও ডিনস অ্যাওয়ার্ড কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. এমতাজ হোসেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিনগণ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন থিওলজি ও ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকেন্দার আলী, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বেগম রোকসানা মিলি, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুস শহীদ মিয়া, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আসাদুজ্জামান, বায়োলজিক্যাল সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বাবলি সাবিনা আজহার এবং ইসলামী ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রহমান আনওয়ারী। ভাইস চ্যান্সেলর তার বক্তব্যে বলেন, ডিনস অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের যোগ্যতা, মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ স্বীকৃতি। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় এ সম্মাননা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিদেশে বৃত্তি, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা তহবিলের জন্য আবেদনের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান সুদৃঢ় করতেও এ অ্যাওয়ার্ড সহায়ক হবে। তিনি বলেন, ২০২২ সালে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন থাকাকালে তিনি নিজেই ডিনস অ্যাওয়ার্ডের নীতিমালার একটি খসড়া তৈরি করে তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এটি চালুর প্রস্তাব দিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনের জন্য শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা, নিজ নিজ বিষয়ে গভীর জ্ঞান এবং ব্যক্তিগত উপস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দেন ভাইস চ্যান্সেলর। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) কমনওয়েলথ স্কলারশিপ বোর্ডের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুধু ভালো ফলাফল বা উচ্চ সিজিপিএ অর্জনই যথেষ্ট নয়; জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের যোগ্যতা ও স্বকীয়তা তুলে ধরার সক্ষমতাও থাকতে হবে। অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও সুনাম অক্ষুণ্ন রাখতে ‘শিক্ষাদূত’ হিসেবে ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে অনুজ শিক্ষার্থীদেরও এ ধরনের সাফল্য অর্জনে অনুপ্রাণিত হয়ে অধ্যবসায় ও পরিশ্রম অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে ৮ অনুষদের ৩৬জন শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
******
তথ্য প্রকাশনাও জনসংযোগ অফিস
তারেক মাহমুদ হোসেন
Edited By: Dr. Amanur Aman