ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর। এই ঘোষণা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে ধর্মীয় সহাবস্থান, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার এক গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বহুধর্মীয় সমাজব্যবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা যে কেবল জ্ঞানচর্চার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধ বিকাশেও তাৎপর্যপূর্ণ—এটা তারই প্রতিফলন। তিনি আজ, ২২ জানুয়ারি, বিশ্ববিদ্যালয় সরস্বতী পূজার অনুষ্ঠানে এ এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ, সম্মানজনক ও সমান অধিকারভিত্তিক শিক্ষাঙ্গন। সংবিধানসম্মত ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সকল শিক্ষার্থীর ধর্মীয় অনুভূতি ও চর্চার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। সেই লক্ষ্যেই সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই অবস্থান বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এটি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহনশীলতার একটি বাস্তব উদাহরণ, যা সমাজে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের বার্তা পৌঁছে দেবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।প্রো ভাইস চ্যান্সেলর মনে করেন, ধর্মীয় সহনশীলতা কোনো একক পক্ষের দয়া নয়; এটি একটি সভ্য ও প্রগতিশীল সমাজের মৌলিক ভিত্তি। তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও মানবিক মূল্যবোধে সবাই সমান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যদি এই চর্চাকে ধারণ করে, তবে তা জাতীয় পর্যায়েও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম।
++++
তথ্য প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিস